শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৪:৫৬ পিএম, ২০২২-০৪-২৩
নিশিতা আজ কি তুমি আমাকে তোমার গল্প বলবে? আমি তোমার গল্প শুনতে চাই। নিশিতা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, “আমার গল্প শুনতে আপনার ভালো লাগবে? মিথ্যা বলে মনে হবে নাতো?” আফতাব বলে উঠলো, “তুমি বলো নিশিতা, সত্য হোক আর মিথ্যা হোক আমি শুনব, আমার শুনতে ভালো লাগবে। তোমার সবকিছু আমার ভালো লাগে। তোমাকে এই অন্ধকার কুঠুরি থেকে মুক্ত করতে চাই। তোমাকে আলোর পথ দেখাতে চাই । “নিশিতা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মনে মনে বললো, “যে কোনদিন আলো কি দেখেনি তার আবার আলোর পথ । ““নিশিতা, এই নিশিতা শুনছো? তুমি কিছু বলছোনা কেন? বলো তোমার গল্প, আমি শুনবো,” আফতাব বললো। নিশিতা একটু মুচকি হাসি দিয়ে বলা শুরু করলো, “শুনেন তাহলে নিশিতার কাহিনী। “
আর দশটি মেয়ের মত নিশিতার বাল্যকাল ছিলনা। নিশিতা ছিল তার বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। অর্থাৎ নিশিতারা দুই বোন। বড় বোন নিশাত ও ছোটো বোন নিশিতা। বাবা আজমল হোসেন চাকুরীজীবি, মা মাসুদা খানম গৃহিণী। বাবার চাকুরির সুবাদে ঢাকায় থাকতাম আমরা। ঢাকার একটা স্কুলে পড়ালেখা করতাম। যেহেতু টাউনে থাকা হতো তাই গ্রাম থেকে কোনো আত্মীয় আসলে আমাদের বাসায় উঠতো। আমার বয়স যখন ৯ কি ১০ বছর তখন হঠাৎ করে একদিন আমাদের বাসায় আসে আমার ফুফুর ছেলে। বয়স কত হবে তা জানতামনা তবে এখন মনে হচ্ছে উনার বয়স হবে তখন ২০-২১ বছর। উনি আমাদের বাসায় কয়েক মাস থাকবেন। ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলেন, হলে সিট পেলে চলে যাবেন। বাবা আর মা উনাকে বলেছিলেন আমাদের দুই বোনকে একটু পড়াতে। উনি ছিলেন মেধাবী ছাত্র। আমার নিশাত আপু তখন অষ্টম শ্রেণিতে আর আমি তৃতীয় শ্রেণিতে। নিশাত আপু ছিলো একটু মেজাজি টাইপের আর আমি ছিলাম শান্তশিষ্ট। তাই ভাইয়ের সাথে আমার ছিল সখ্যতা। ভাইয়া কারণে অকারণে আমাকে ডাকতেন, আমি যেতাম। ভাইয়া আমাকে নিয়ে সারাদিন দুষ্টুমিতে মেতে থাকতেন। আসলে এখন বুঝি তা দুষ্টুমি ছিলনা। ভাইয়া দুষ্টুমির ছলে আমার শরীরের এই জায়গায় ঐ জায়গায় হাত দিত। প্রথম প্রথম আমার তা অস্বস্তি লাগতো। ভালো লাগতোনা কিন্তু পরবর্তীতে তা আমার অভ্যাসে পরিণত হলো। বার বার ভাইয়ার ডাকে ছুটে যেতাম। কিন্তু নিশাত আপুর তা সহ্য হতোনা। আপু আব্বু আম্মুকে বলে দিত। আব্বু আম্মু আমার থেকে জিজ্ঞেস করলে আমি বলতাম, “নাতো ভাইয়া আমার সাথে দুষ্টুমি করে।“ আপু তখন বলতো, “ও মিথ্যা বলছে।“ আব্বু আম্মু আপুকে বলতো, “আম্মু, এটা তোমাদের বড় ভাই হয়। বড় ভাইকে সম্মান করতে শেখো।" এরই মাঝে ভাইয়া হলে সিট পেলে তিনি ওখানে চলে যান। মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে আসতেন। আসলেই আমি যেতাম ভাইয়ার কাছে কারন তার অযাচিত দুষ্টুমিগুলো আমার ভালো লাগতো। আসতে আসতে আমি বড় হতে লাগলাম। ভাইয়াকে দিলাম একদিন ভালোবাসার প্রস্তাব। ভাইয়া বলল, “পিচ্চি, তুই কি বলিস এসব? তুইতো পিচ্চি মাইয়া। “আমি বললাম, “ভাইয়া, আমি আপনাকে ভালোবাসি। “ভাইয়া হোহোহো হেসে বললেন, “মাইয়া বলে কি?” আমি বললাম, “ভাইয়া, আপনিও তো আমাকে ভালোবাসেন। “ভাইয়া বলল, “এই পিচ্চি তুই ভালোবাসা বুঝিস? হ্যাঁ আমি ভালোবাসি তোকে ছোট বোনের মত। “আমিতো রীতিমতো তখন হতভম্ব, শরীরের এই, ঐ জায়গায় হাত দেওয়া কি তাইলে ছোটো বোনের মত ভালোবাসা? ওইদিকে আড়ালে আমার সব কথা আপু শুনছিল। সব শুনে আপু তখন আমাকে ঘৃণা করতে লাগল। আব্বু আম্মু যেহেতু বিশ্বাস করতোনা তাকে তাই আপু উনাদেরকে কিছু বললোনা। আমি তখন থেকে আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম ভাইয়ার মোহ থেকে কিন্তু পুরুষের প্রতি আকর্ষণটা আমার থেকেই গেল। কারণ ছোটোবেলাতেই আমাকে এই আকর্ষণের কাছাকাছি নিয়ে এসেছিলেন ভাইয়া। প্রেম ভালোবাসা থেকেই বেশি যেন আমাকে শারিরীক আকর্ষণটাই টানতো। তাই আমি সবসময় পুরুষকে ফেলতে লাগলাম প্রেমের ফাঁদে। কারণ এটা তখন আমার নেশাতে পরিণত হয়েছিল। পুরুষ দেখলে যেন আমি অন্য বালিকা হয়ে যেতাম। আমার চেহারাটাও ছিল খুবই আকর্ষণীয়, গায়ের রঙটা ও ছিলো ফর্সা। সব মিলিয়ে ছিলাম সুন্দরী। প্রথম দেখাতেই যে কেউ হতো মুগ্ধ। প্রতিনিয়ত আমার কাছে আসত প্রেমের প্রস্তাব। কিন্তু আমি জানতাম এইসব প্রেম না দুষ্টুমি। আমারতো প্রেমে পড়লে চলবেনা, আমি অন্য নেশায় মগ্ন। মনে মনে বলতাম পুরুষ আবার ভালোবাসে নাকি, পুরুষতো দুষ্টুমি করে। তাই আমিও দুষ্টুমি করি না হয় একটু। এমন করে করে স্কুল জীবন পার করলাম। বলে রাখি, আমার এসব নোংরামি গুলো কিন্তু আমার আপু খেয়াল করতো কিন্তু কিছু বলতোনা। আব্বু আম্মুকে তো মোটেই না। কারণ আম্মু আব্বুকে আমি আবেগপ্রবণ করে ফেলতাম, কেঁদে দিতাম, বেহুশ হয়ে যেতাম, ছোটো মেয়ে বলে কথা। আমি যখন কলেজে উঠলাম তখন আমার পিছন ছেলেরা ভিড় করতো একটু কথা বলার জন্য আমি কিন্তু কাউকে না করতামনা কারণ এইটাইতো আমার স্বভাব। আমাদের কলেজটা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, তাই ওখানে অনার্সের ছাত্র ছাত্রীও ছিল। আমার সব সময় চোখ ছিল বড় ভাইয়াদের দিকে। আমিতো ছিলাম ভীষণ সুন্দরী তাই বড় ভাইয়ারাও আসতো আমার সাথে আলাপ করতে। একদিন সকালে আমি কলেজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম এমন সময় হঠাৎ অনার্সের এক বড় ভাইয়া এসে আমাকে বললেন ,”নিশিতা, তুমি এখানে দাঁড়িয়
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাত্র ৮০ টাকা রোজে লোড-আনলোডের শ্রমিক থেকে শ্রমিক লীগ ন...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: আজ ২১ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি এম, ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা,সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যম। সিরা...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আদালত প্রতিবেদক:সংগীত শিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited